Thursday, May 6, 2021

Compulsion

You may bombard
Me with words, still
I will write my verse.
Saplings will surface
From the frame of
The butchered earth.
Trees will throw up
Fruits and flowers,
No matter what.

Good or bad, wrong or right,
I cannot not write,
My chef-d'oeuvre is still
Waiting inside, if I'm destined,
or condemned, accursed or
blessed
, I have no clue,
I know my thoughts will
bloom through the humblest
of words, false or true.

We will get over this

We took wonderful steps
Before, to depollute the earth.
We will get over this too for
Sure, w
e will find ourselves
A permanent cure.

Banning smoking from
The public p
laces, no mean task;
The whole world was united
In its stand, s
moking on the bus,
on the train, i
nside the offices
Premises, on the plane,
Completely effaced,
The world breathed afresh.

Remember what we did to
Safeguard the lives of
Those who couldn't speak for
Themselves, yesterday's
Sought-after hunters
Are today's poachers,
No mean feat, the global
Accord brought about for good
Those killers’ defeat.

These two shining examples
Had shown us how we could
Transform ourselves.

Like we saved the animals
From the hands of the branded
Slaughters, like w
e cleared
Smoking, an injurious h
abit
From the public domain, 
We will free ourselves too
From t
he deadly virus.

Let's pat our back,
United as it were,
We'll put life back on track,
Like we did before;
We will triumph, for sure,
We will save the human race,
We will demolish the trace
Of the virus from the face
Of the earth, we will wash away
The remnants of the disease,
We'd walk, meet, greet each
Other again at ease.

Thanks to the relentless efforts
Of all the ignited minds, thanks
To the loving hearts
Of the indefatigable soldiers,
Those precious selfless caregivers
Life will continue to thrive;
With their fearless fights,
Their indomitable smiles,
We will put the coronavirus
Behind us, we will live again
without the fear of losing lives.  

Wednesday, May 5, 2021

মানুষ সুস্থ হোক

পৃথিবী বিপদে নেই,
বিপথগামী মানুষ।

ইদানীং একটা কথা খুব
শুনছি, পড়ছি। পৃথিবীতে
শান্তি আসুক, পৃথিবী সুস্থ
হোক, নিরোগ হোক,
কিন্তু পৃথিবীর তো কিছু
হয়নি, সে তো ভালোই আছে,
বরং এখন আরও শান্তিতে
আছে, সুস্থ আছে, স্বস্তিও পাচ্ছে। 

পৃথিবীতে একমাত্র মানুষই আজ
বিপর্যস্ত, সমস্ত প্রাণীর মধ্যে
মানুষেরই দূর্দশা। 

পৃথিবীর কথা কবে ভেবেছে
মানুষ? খালি ধ্বংসের হুঙ্কার
এসেছে তাদের থেকে, কখনও
এটোম বোমের, কখনও বা
নিউক্লিয়ার ওয়েপনের।

আবার কখনও মাটি নিয়ে
কাটাকাটি, জল নিয়ে ছেঁড়াছেঁড়ি,
পশুদের প্রতি অত্যাচার, চারিদিকে
ফসলের বদলে গজাচ্ছে টাওয়ার।
গুটিকতক শিক্ষিত মূর্খদের কর্মফল
ভুগছে অসংখ্য নিরীহ, নিষ্পাপ মানুষ,
পড়েছে করোনার কবলে। 

যেই পৃথিবীকে নিশ্চিহ্ন করার
উন্মাদনায় মেতেছিল মানুষ, সেই
ক্ষমাশীল ধরার থেকেই আসছে
মানুষের নিরোগ হবার উপায়,
ভ্যাকসিনের সাজে। 

বিনীত প্রার্থনা এই, যে মানুষ যেন
এইবার সত্যিই মানুষ হয়ে ওঠে,
করুণাময়ী পৃথিবীকে যেন তারা
এবার বোঝে। দিকভ্রান্ত মানুষ
আসুক ফিরে সঠিক পথে।
আমাদের একমদ্বৈতম আস্তানায়
যেন শান্তি নেমে আসে।

মানুষ পৃথিবীর পথে থাকুক,
পৃথিবীর রথেই শুরু হোক তাদের
নতুন জয়যাত্রা সমস্ত প্রাণীর
সাথে, সকল জীবের পাশে
থেকে মানুষ সুস্থ হোক
মনেপ্রাণে, অন্তরে, বাইরে।

চরম অভিশাপ

আমরা যা কিছু জানি অর্থ বলে
আসলে তা অনর্থ, প্রমাণ
ছড়ান আছে সর্বস্থানে, কালে, পাত্রে
প্রতিদিন অশান্ত মন ছুটে চলে
মরীচিকার দিকে, যন্ত্রের মত।   

যা কিছু জানি কর্ম বলে,
তা যে বিকর্ম কেবল
বুঝি তা সরল ভাবে,
মানতে চাইনা তবু,
কাজ করে যাই মূর্খের মত
থামে না হাহাকার,
শেষ হয়না ভিক্ষা চাইবার
অহেতুক গরিবের সম্বল
ছিনিয়ে নেবার। কাগজের টাকার
তাসের ঘরে করে অলক্ষ্মী বসবাস
লক্ষ্মীর হয় বনবাস।

যা কিছু দেখেছি শুনেছি বিদ্যা বলে
সে যে আসলে অবিদ্যা,
মারামারি, রাহাজানি, কাটাকাটি করে
মরে, পৃথিবীতে আজ যত হয়েছে
ক্ষতি সবিই যে শিক্ষিত সমাজ, সভ্যতার
কবলে, যেথায় নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত
অর্থনীতিবিদেরা দেন বিধান
বাজারেতে যত বেশি ধার, তত নাকি
সংসার পাবে উদ্ধার,
তাই দেখি সমস্ত স্তরে
ধারদেনা গলা টিপে ধরে
স্বরস্বতী এই অবিদ্যায় করে না
কখনও বাস।

মাটির বুকে ফলফুল
সবজির বদলে
ফলছে শুধু টাওয়ার
মানুষ কথা বলবে বলে,
অর্থ, শিক্ষা, কর্ম!
পৃথিবীর বুকে যদি পারো
ফসল ফলাও চারিদিক ঘিরে,
ধারদেনা না ছড়িয়ে বাজারে
ছড়াও শিক্ষার আলো চারিধারে।  

দেখি পৃথিবীর বুকে পড়ে দীর্ঘশ্বাস,
অবিদ্যা, অনর্থ, অকর্মের, প্রতাপ,
অর্থ, কর্ম, বিদ্যা, যা কিনা হতে
পারত মানবজাতির উন্নতির
পুণ্য  তিন বর, এদের বিকৃত রূপ 
করে চলেছে মারামারি,
অনবরত নির্মম পাপ,
আজ বুঝি তাই এরা
জীবনের মৃত্যুর কারণ
সমাজের চরম অভিশাপ।     


Tuesday, May 4, 2021

রাজযোগ



যা কিছু দেখেছ, শুনেছ;
প্রমাণ, বিকল্প, স্মৃতি,
ত্যাগ কর এই মুহূর্ত থেকে,
না পার ত চেষ্টা করে যাও
হে রাজযোগী  

আমি গেছি বিদেশে,
ঘুরেছি এখানে ওখানে,
তুমি?
না, আমি যায়নি, 
বলছ মনে মনে 
গেলে বেশ হত,
না, না, না, ত্যাগ কর 
এই বিকল্প, এই প্রমাণের
অনুভূতি,  হে ত্যাগী,
দাও এ সবের 
স্বেচ্ছায় আহুতি  

ধ্যানে বসে ভাবছ এ কী 
সংসারের কথা?
তোমার পরিবারের কথা?
এই স্মৃতি জড়িয়ে আছে,
ছড়িয়ে আছে তোমার 
পথে, পাথরের মত,
যাও পথিক, অতিক্রম করে 

ছিন্ন কর সমস্ত বন্ধন,
অহেতুক, নিরর্থ বিনদন 
ত্যাগী হও, ছাড়াও 
সব চোরকাঁটার বেড়াজাল 
অভ্যাস কর দিনরাত ধরে 
আগে বন্ধন বিয়োগে, পরে 
এসে বস ত্যাগী, রাজযোগে 
 

love is bliss

I love you
it is exclusive,
I love all
it is inclusive

if you practise this
you'll be in bliss

The slaves


We're all slaves
of our professions;
masters, slaves alike
all accursed. 

We're all in bondage
of our habits, and words,
of our fears and wars,
of what we see, hear,
taste, touch, and smell;
we're perpetually condemned
within the walls of the hell,
our false universe. 

Entertainment


In the name of entertainment,
we pollute the environment. 

Go, walk in a park,
sit under the trees,
watch the leaves,
flowers talking to the
butterflies and the bees,
those fruits of the birds
that build our universe,
look at the sun, the moon,
those twinkling stars,
you could be in splits,
or break into tears, be lost, 
could even arrive without farce. 

Saturday, May 1, 2021

Way to go (preposition with fun)

I travel by car,
I travel by train
I am in the truck,
but on the plane.

I travel by bus,
I travel by van,
I travel by any
li'l thing I can.

I travel by sea,
I travel by road,
I travel by rail
to be on board.

I‘m on the bus,
I travel by air,
I’m on the train
but in the car.

I’m on the ship,
and on the ferry,
I go on foot,
I travel by lorry.

I’m in the rowboat,
in the helicopter,
I'm in the auto,
but on the scooter.

শাংখ্যযোগের সম্পূর্ণ সমর্পণ


শাংখ্যযোগ সংখ্যার শঙ্খ
বাজায় না, কর্মফলের ভারের থেকে
করে ভক্তকে মুক্ত। 

চব্বিশটি উপাদানে তৈরী এই বস্তু
জগতের সাথে করায় পরিচত।    

পঞ্চগুণ, যথা শব্দ, গন্ধ, স্পর্শ, রং
ও স্বাদ, পঞ্চতত্ত্ব, যথা পৃথিবী, জল,
আগুন, বায়ু, আকাশ, পঞ্চকর্মেন্দ্রিয়,
যথা বাক্য, পদ, হস্ত, মলদ্বার, যৌনাঙ্গ,
পাঁচটি জ্ঞানেন্দ্রিয়, যথা কান, নাক, চোখ,
চামড়া, জিভ, তিন সুক্ষ সত্তা, যথা মন,
বুদ্ধি, অহংকার, সবশেষে আছে দূষিত
চেতনার ভার, যা ভগবানের থেকে আমাদের
করে রাখে আলাদা, চিরকাল। 

এই বোধহয় একটি মাত্র যোগ যার
আস্তিক ও নাস্তিক ধারা আছে, কপিল মুনির
নাস্তিক ব্যাখ্যা প্রকৃতির স্বতঃস্ফূর্ততার কথা 
বলে, আস্তিক ব্যাখ্যা প্রকৃতির মালিক রূপে,
ভক্তি দিয়ে নিয়ে আসে ঠাকুরের কোলে।

গীতার দ্বিতীয় অধ্যায়ে আমরা তাই পাই
শাংখ্যযোগের জ্ঞানের অসীম ধন,
ধনঞ্জয়কে বলছেন ঠাকুর কর্মফলের
থেকে মুক্তির পথ, করে ঠাকুরের তরে
সম্পূর্ণ সমর্পণ।  

Follow by Email