পথ হাঁটতে হাঁটতে একটা চৌরাস্তায় এসে থমকে দাঁড়ালাম। এই তো এখানেই ছিলাম। ঐ তো, সেইরকমই এক চায়ের দোকানে চা খেলাম। চোখ মুছে দেখলাম একটু যেন অন্যরকম! ভিন্নসময়, অন্যরকম, সেইরকম সব এমন গা ঘেসাঘেসি করে বসে আছে যে আলাদা করে জানার উপায় নেই!
আচ্ছা আলাদা করে দেখার খুবই কি প্রয়োজন আছে? ছোটবেলায় যখন ট্রেনে করে যেতাম জানলার মুখ দিয়ে দেখতাম আঁকাবাঁকা পথগুলি সবই একরকম লাগত, মনে হত যেন একই লোকেরাই ওখানে থাকে। নিমেষের মধ্যে হু হু করে চলে গিয়েও দেখতাম জমজমাট যমজ গলি গুলো আঁকাবাঁকা হয়ে এদিক ওদিক ছুটে বেড়াচ্ছে।
এখানে এই যে এত চায়ের দোকানে বসে থাকা লোকজনেরা কথা বলছে, চা খাচ্ছে, খবরের কাগজ পরছে এরা কি সবই একই রকম, নাকি আলাদা? এইসব সাত পাঁচ কথা ভেবে হিললি দিল্লীর অলিগলি দিয়ে যেতে যেতে হেঁয়ালি করতেই বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে হলো। আমারও কাহিনী শেষ করার সময় হল, আজ আসি, কেমন?
শুধু এটুকুই বলে যাই যে গ্রামের শহরের অলিগলি ভিন্ন জায়গায় অবস্থিত হলেও এরা সব একই রকম। ভিন্ন ভাষা, ভিন্ন পরিধান, ভিন্ন খাবার দাবার, কিন্তু মূলত এরা সবাই সমান, ভূগোল এদের কাছে হার মানে যুগযুগ ধরে, ইতিহাস তাই বারবার একই কথা বলে অলিতে গলিতে পাড়ায় পাড়ায়। হেঁয়ালি করে লাভ নেই।