বাঙলায় জুলাই শুধু
শুরু থেকে জ্বলবে
নিরূপায় মানুষ তাই
সবটাই দেখবে।
রাজনীতি জ্বালানিতে
পঞ্চায়েতের তাপে
সব রীতি পুড়বে।
বাঙলার জুলাই ভাই
শুরু থেকে জ্বলবে।
A space where eco-socio-political views are shared with love, compassion. Peace, above everything else.
বাঙলায় জুলাই শুধু
শুরু থেকে জ্বলবে
নিরূপায় মানুষ তাই
সবটাই দেখবে।
রাজনীতি জ্বালানিতে
পঞ্চায়েতের তাপে
সব রীতি পুড়বে।
বাঙলার জুলাই ভাই
শুরু থেকে জ্বলবে।
আমি হেঁটে চলেছি
স্বপ্নরাজ্যে
শত সহস্র স্বপ্ন গ্রাস
করেছে বহু ফেলে
আসা জীবন।
আলো আঁধারে মেশা
অন্তরালে ঢাকা চোখের
ও বেদির পর্দা।
আমার নাটক আমিই লিখছি, আমিই দেখছি,
অভিনয় করছি, বিড়বিড়
করে প্রম্প্টও আমিই করছি।
রচনা, রচিত, রচয়িতা,
অর্থ, অনর্থ সবই ম' ম' করছে আমার গন্ধে।
আমার শব্দ আমারই আওয়াজে হতবাক।
আমার দেহ কখনও রক্তমাংসের, কখনও কাগজের ওপর আঁকিবুঁকি
সহস্র স্পন্দন।
একের পর এক, এরা এত
মানুষ কারা? সব আমি!
কি দয়ালু সে, যে আমাদের
সর্বশেষ জীবনের
সুখদুঃখ টুকুই মনে রাখায়, বাকি অসংখ্য মূহুর্তগুলি
আড়াল করে দাঁড়ায়।
কিন্তু না, সে নির্দয় খেলা খেলে চলেছে তার এ্যমনেশিয়ার বরদানে।
তাই একই ভুল করে চলেছি
জন্ম জন্মান্তর ধরে?
সে যাই হোক, বিচারে লাভ নেই।
হেঁটে চলেছি কখনও মঞ্চে কখনও ময়দানে একইভাবে অনেকরকম করে।
#poesia #poem #poetry #poetrycommunity #poetrylovers #poetryisnotdead #poetryislife
মন্থর গতিতে হৃদয়ে এসো
তুমি, শুধু তুমি, ভালোবেসো
প্রার্থনা হোক প্রেমের যত নিবেদন
পরিপূর্ণ কর আমার এ জীবন।
দুর্নিবার বেগে এসো ঝড়ের মতন,
মাতনে ভরুক আত্মা, আমার অমূল্য
রতন, আমার দেহ স্পর্শ করুক তোমার
ঐ শ্রী চরণ
ওগো বন্ধু, আমার অমেয় প্রসাদ,
সে যে তোমার উষ্ণ আলিঙ্গন।
এসো হে পরম বন্ধু
এসো নাচে গানে,
তোমার আগমনে আজ
ফুলে ফলে ভরা আমার বাগানে,
এসো বসি মোরা নিভৃতে দুজনে
তুমি বল, আমি শুনি,
আমি বলি, তুমি শোন
হালকা সুরেলা হাওয়ায় যেন
গুনগুন যত অমৃত বাণী
ঘুচাক বাধা, মিটাক গ্লানি।
এসো সখা, এসো পরম বন্ধু
মোর, কাটুক আঁধার রাত্রি
আসুক আলোকিত ভোর,
সবই যে ছিল মিথ্যা অভিনয়
তোমার স্পর্শ-প্রসাদে তাই তো
পাব আজ আমার আসল পরিচয়।
যেই বাড়ি খোলামেলা,
অনায়াসে আলো হাওয়া
করে আসা যাওয়া,
ভক্তি ও প্রেমে দুইবেলা
পুজো হয় যেইখানে
ইষ্ট দেবতার,
ধুপ দীপ এ ভরে চারিধার,
ঘন্টা বাজে, শঙ্খধ্বনি
পড়ে যেই স্থানে,
লক্ষী ও গণেশ জেনো
থাকে সেইখানে।
ভক্তিভরে ঈশ্বরের যে বা সেবা করে,
অর্থকষ্ট কখনও থাকে না সেই ঘরে,
হোক না সে ভিন্ন কোনো ধর্মের সম্পূর্ণ,
কৃপায় থাকে সে ভক্তের বাড়ি, প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ।
বিরহের-ই ফাঁকে ফাঁকে
আনন্দ নিশ্চিন্তে থাকে।
কান্না যখন ভীষণ বেগে
স্রোতের মতো আছড়ে পড়ে
তারই মাঝে উঁকি মেরে
সজাগ হাসি থাকে জেগে।
সুখ দুঃখ কান্না হাসি
একই সাথে খেলা করে
মিলে মিশে এ সংসারে
গল্প বলে রাশি-রাশি।
কার ভুল, এ কার ভুল?
ফুলের মত নীরবে ঝরে
গেল কত শত প্রাণ,
কত পরিযায়ী কর্মীর
দল,
কত নিষ্পাপ, ক্লান্ত ঘুমন্ত
যাত্রী, নিঃশব্দ চিৎকার
নিঃশ্বাস রুদ্ধ করল
কালরাত্রি!!
এত প্রযুক্তির আস্ফালন?
পারল না বাঁচাতে
আর্তনাদে
ফুরিয়ে যাওয়া জীবন?
যেই ঘরে দুটো তালা ঝোলা
তার আশেপাশে নেই কোনও ক্যামেরা?
কেন? কেন? কেন?
তবে কী করে ধরবে কার ভুল
এ হেন মর্মান্তিক
দুর্ঘটনার মূল?
এখন চলেছে ঝগড়ার ঝড়, অহেতুক
প্রশ্নের বাণ, অফুরন্ত, অক্লান্ত
অর্থহীন বাণী, সমাধানের বদলে হচ্ছে
সমস্যার উদ্ভব। সবাই পন্ডিত,
সবাই জ্ঞানী!
কত আশা হলো ধ্বংস, নৃশংস
এই অকালমৃত্যুতে খসে পড়লো কত
স্বপ্নের সংসার, গণমৃত্যু এ যে, কে
নেবে এ অন্যায়ের ভার
করমন্ডল এই
দুর্ঘটনায়
গাফিলতি বলো কার
কে বইবে কাঁধে হায়
এ হেন গণখুনের দায়?
সবাইকে ছেড়ে কোন গোবেচারাকে ধর,
তারই হোক শাস্তি, তবেই বুঝি আসবে
ধামাচাপা দেওয়া
শান্তি।
who has learned
what through words,
we need a pileup
in order to pick up
to those theories
and inferences, we
don't pay a heed
we don't read
until we bleed
books on disaster
management
volumes without matter
no force majeure
neutralised under
the fragile firmament
no security can prevent
a bank holdup
who has learned
what through words,
we need a pileup
in order to pick up
সবাই বলে বাঁচার নাম
জীবন
আমি বাঁচতে চাই
সাহিত্যে, গানে, গুনগুন
করছে।
মানুষ তাই গ্রহণ করছে,
এর মধ্যে আমি আর বাঁচতে চাই না-র কোনো
স্হান নেই, তা সে সত্য
হলেও।
আমি মৃত্যু কামনা করি,
আমার এ হেন মানষিকতার
জন্য কেউ দায়ী নয়।
আমার জীবনের সমস্ত
চাহিদা ফুরিয়েছে, আমি
প্রতি মুহূর্তে অফুরন্ত আনন্দে টইটুম্বুর হয়ে আছি, তাই তো কখনও আত্মঘাতী হব না, যতদিন
আছি থাকবো, কিন্তু আমি
আর বাঁচতে চাই না, আমার কবিতা, আমার গল্পের পাতা এবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করুক, পৃথিবীর বুকে
আর শান্তি আসবে না, আর কখনও আমরা যুদ্ধের কারাগার থেকে নিজেদের মুক্ত করতে পারবো না, কখনও পারবো না।
একদিকে প্রযুক্তির উন্নতি হচ্ছে চরচর করে লাফিয়ে
লাফিয়ে, ভারসান এগুচ্ছে
দুর্নিবার গতিতে।
অন্যদিকে মনের কোনো উন্নতি নেই,
সে যে তিমিরে ছিল, সে তিমিরেই আছে।
জঙ্গলের খাওয়া খাওয়ি, মারামারি, খুনাখুনি চলছে একই রকম করে।
গরিব আরও গরিব হচ্ছে ধনী আরোও বেশি ধনী।
অষাঢ় জড়পদার্থ এআই
উঠছে সিঁড়ি বেয়ে আসেপাসে।
উন্নতির আষাঢ়ে গল্পে
মুগ্ধ মানুষের মন মুখ
থুবড়ে পড়ে আছে বিনা বিকাশের আকাশে।